বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গা পানি চুক্তির বিষয়টি দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনেই আলোচিত হবে। দুই দেশের টেকনিক্যাল বা কারিগরি পর্যায়ে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ কথা বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
বাংলাদেশের পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সম্প্রতি ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন চুক্তি চায়। সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে সমানভাবে পানিবণ্টন হবে। তিনি বলেন, নতুন চুক্তিতে এই ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ রাখার মধ্য দিয়ে দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।
ব্রিফিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করে ভারতের মনোভাব জানতে চাওয়া হলে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, শুধু গঙ্গা নয়, দুই দেশের মধ্যে প্রবাহিত সব নদী বিষয়ে আলোচনার জন্য যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। নদীসংক্রান্ত সব বিষয় ওই কমিশনেই আলোচিত হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, গঙ্গা চুক্তির কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ঢাকা সফরের খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য বা হালনাগাদ খবর নেই।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের আবারও জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যু তোলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে।
তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং এটি ভারতের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয়ে কোনো বহিঃস্থ পক্ষের কোনো অধিকার বা এখতিয়ার নেই।