রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর ঘোষণা

রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর ঘোষণা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : August 01, 2026

সরকার দেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী এই বন্ধ কারখানাটি চালু করা হবে।

 

মির্জাপুরে বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেসব প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় এমপির সহযোগিতায় আরো আধুনিকায়ন করা হবে।

শনিবার সকালে দীর্ঘ ২৯ বছর যাবৎ বন্ধ থাকা মির্জাপুরে ‘টাঙ্গাইল কটন মিল’ কারখানাটি পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করেছেন।

 

বিশেষ করে সোলারের বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যাতে দেশের ব্যবসায়ীরা এবং শিল্পপতিরা ইন্ডাষ্ট্রিগুলো ঠিকমত চালাতে পারেন।

 

 এ খাতে ব্যাপক দুর্নীতি করেছে তারা। এখান থেকে ভালো জায়গায় যেতে হলে সময় প্রয়োজন। সে পর্যন্ত দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানাই।

তাঁত বোর্ডের উদ্যোগে টাঙ্গাইলে বেসিক সেন্টার এবং ফ্যাশন ডিজাইনার ইনস্টিটিউট আজ উদ্বোধন করার পাশাপাশি তাঁতশিল্পকে এগিয়ে নিতে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা ও ঋণ প্রদান করা হবে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিটিএমসির সচিব ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন জানান, স্বাধীনতার আগে প্রায় ২৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইল কটন মিল কারখানাটি চালু করা হয়।

 

১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে কারখানাটি জাতীয় করণ করা হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিটিএমসি দ্বারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এরপর থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ভাড়াসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে কারখানাটি চালু থাকে। ১৯৯৮ সাল থেকে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বলে তিনি জানান।

এ সময় টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের সাংসদ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ, বিটিএমসির সচিব ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন, টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আরিফ, সহসভাপতি আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদের শিকদার, উপজেলা বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন, গোড়াই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share This