বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমুদ্র ও নৌবন্দর সংশ্লিষ্ট কাস্টমস স্টেশনগুলোতে শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন বিধিমালা জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর নাম ‘শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৫’।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এতদিন শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স দেওয়ার জন্য কোনো স্বতন্ত্র বিধিমালা না থাকায় কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০ অনুসরণ করা হতো। শিপিং এজেন্টদের কার্যক্রমকে সহজ, যুগোপযোগী ও বিনিয়োগবান্ধব করতে পৃথক এই বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
নতুন বিধিমালার উল্লেখযোগ্য সুবিধা
দ্রুত লাইসেন্স ইস্যু:
এখন থেকে কাস্টমস স্টেশনভিত্তিক শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণে এনবিআরের পূর্বানুমোদন লাগবে না। ফলে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ আগের তুলনায় কম সময়ে লাইসেন্স প্রদান করতে পারবে।
পরীক্ষা ছাড়াই লাইসেন্স:
লাইসেন্স পেতে আর কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক থাকলে সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যেই লাইসেন্স দেওয়া হবে।
সারা দেশে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ:
আগে একটি কাস্টমস স্টেশন থেকে ইস্যু করা লাইসেন্স শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট বন্দরেই কার্যকর ছিল। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একবার লাইসেন্স পেলে তা দিয়ে দেশের যেকোনো সমুদ্র বা নৌবন্দরে শিপিং এজেন্টের কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।
এনবিআর জানিয়েছে, আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সহজ ও গতিশীল করতে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে এ ধরনের সংস্কারমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।