জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্ত এবং জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যারা বেইমানি করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জুলাই বিপ্লব পরবর্তী চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন।
জামায়াত আমির জানান, জনগণের মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে এবং কোনও অপশক্তির কাছেই তারা নতি স্বীকার করবেন না।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল এ দেশের মানুষের মুক্তির সনদ। যারা এই আন্দোলনের চেতনাকে নস্যাৎ করতে চায় এবং শহীদদের রক্তের অবমাননা করে পর্দার আড়াল থেকে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের চিহ্নিত করা হবে।
গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ১১ দলীয় জোট যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ এবং সংসদ-উভয় জায়গাতেই তাদের সোচ্চার ভূমিকা থাকবে।
গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ১১ দলীয় জোট যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ এবং সংসদ-উভয় জায়গাতেই তাদের সোচ্চার ভূমিকা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ১১ দলের কোনও বিশ্রাম নেই। মূলত একটি বৈষম্যহীন এবং ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যেই এই বৃহত্তর ঐক্য কাজ করছে।
সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা জুলাই সনদের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ জোর দেন। তার মতে, এই সনদ কেবল একটি রাজনৈতিক দলিল নয়, বরং এটি ছাত্র-জনতার বিপ্লবের প্রতিফলন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এই গণসমাবেশে জোটের অন্যান্য শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে আসা হাজার হাজার কর্মীর উপস্থিতিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বক্তারা সবাই একযোগে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতি রক্ষা এবং আহতদের পুনর্বাসনের দাবি জানান।