আসন্ন ঈদে কোরবানির পশু পরিবহনে সড়কে কোন চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটবে না বলে নিশ্চয়তা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এইটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি, যে যারা কুরবানির পশু নিয়ে আসা যাওয়া করবে তাদের সঙ্গে চাঁদাবাজির কোন ঘটনা ঘটবে না। ঘটলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেগুলো কঠোর হস্তে দমন করবে।
বুধবার (০৬ এপ্রিল) রাজধানীর গাবতলী গরুর হাটের ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং গাবতলী বাস টার্মিনালে প্রবেশের নতুন রাস্তা নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, আমরা আশা করি যে আগামী ঈদুল আযহার যে পশুরহাট এবং দেশবাসীর ঢাকা ছেড়ে যাওয়া এবং আসার রাস্তাগুলি যাতে নির্বিঘ্ন থাকে, এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় বিভাগ আমরা সজাগ আছি। থাকবো ইনশাল্লাহ।
গরুরবাহী গাড়িতে চাঁদাবাজি ও বাজারকেন্দ্রিক গরুর ট্রাক নিয়ে টানাটানির ঘটনা বিভিন্ন সময়ে দেখেছি। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় যেমন দেখেছেন, সে সময় বিভিন্ন রকমের সরকার ছিল। বিনা ভোটের সরকার ছিল। সংবিধান বহির্ভূত সরকার ছিল বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিল। এবার জনগণের ভোটের নির্বাচিত সরকার। এবার প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকটি বিষয়ে যে বিষয়গুলোতে উনার মিটিং করবার কথা না বা অনুশাসন জারি করবার কথা না সেই বিষয়গুলো উনি সরাসরি নজরে নিয়ে আসেন এবং কথা বলেন। আজকে যে আমরা এখানে এসছি, এটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা এখানে আসছি। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এইটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি, যে রাস্তাঘাটে যারা কুরবানির গরু বা পশু নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসা করবে চাঁদাবাজির কোন ঘটনা ঘটবে না এবং ঘটলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেগুলো কঠোর হস্তে দমন করবে।
প্রধান সড়কে হাটের সীমানা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আনএক্সপেক্টেড কিছু ঘটনা ঘটে। গাবতলি হাটে টার্গেট এক লাখ গরু আসবে। কোন কারণে ১ লাখ ৩০ হাজার গরু আসলো। গরু যারা কেনা-বেচা করে তারা আমাদের কাছে আগেই বলে না যে কত গরু নিয়ে আসব এবং কত গরু কিনব। সে ব্যাপারেও আমাদের প্রস্তুতি থাকবে। আমরা শুধু এইটুকু বলতে পারি। আমাদের মনিটরিং অব্যাহত আছে। এবং ঈদের দুই একদিন আগে এই টিম আমরা আবার আসবো। আমাদের যে সমস্ত ব্যবস্থাপনা করার কথা সেটা সঠিক আছে কিনা দেখব এবং এর বাহিরেও প্রশাসকের নেতৃত্বে আবার একটি মিটিং হবে। সমন্বয় সভা হবে। সেখানে আরো নির্দেশনা দেওয়া হবে। তবে আমি শুধু আপনাদেরকে এইটুকু বলতে পারি যে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে না রেখে তাদেরকে আরামদায়ক করবার জন্য যে সমস্ত ব্যবস্থাপনা করবার দরকার। আমরা মাঠে আসছি, দেখছি এবং কাজ করছি। মানুষের সুবিধার জন্য জনগণের সুবিধার জন্য আমরা সবসময় মাঠে থাকব।