বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জিয়াউল হক স্যারের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তাঁর অসুস্থতার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তাঁর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) হাসপাতালে গিয়ে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালে পৌঁছে ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁর চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করে শুভ কামনার বার্তা পৌঁছে দেন।
এ সময় ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) বলেন, ‘দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতার সংবাদে প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে।
আমরা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার হলে, তাঁর পক্ষে আইনজীবী হিসেবে সাহসিকতার সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।
প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ অসুস্থ প্রবীণ রাজনীতিকের প্রতি রাষ্ট্রীয় সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।